শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২০, ০১:২০ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

পর্যটকে ভরপুর কক্সবাজার

প্রতিবেদক এর নামঃ
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

ওয়াহিদ রুবেল, কক্সবাজার ২৫ ডিসেম্বর ১৯ ইং, বছরের শেষে কক্সবাজারে ভীড় করেছে লাখো পর্যটক। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সমুদ্র সৈকত ও বিভিন্ন পর্যটন স্পটে কাটছে তাদের সময়। হোটেল মোটেলগুলোতে থাকার জায়গা নেই। পর্যটকদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে হিমচিম খেতে হচ্ছে হোটেল-মোটেল ও কটেজ ব্যবসায়ীরা। পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে কাজ করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

তবে, পর্যটকদের অভিযোগ হোটেল, মোটেল ও কটেজ মালিকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে তাদের কাছ থেকে।

ব্যবসায়ীরা বলছে, বছরের শেষে স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় এ সময়ে পর্যটকদের বাড়াতি চাপ থাকে কক্সবাজারে। আর ব্যবসায়ীরাও ভাল ব্যবসা করতে পারে। তাই পর্যটকদের সেবা দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে থাকে ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ইংরেজী নববর্ষ বিদায় ও বরণ রাতে কক্সবাজার সৈকতে বসে লাখ পর্যটকদের মিলন মেলা। অনেক হোটেল পর্যটকদের বিনোদনের জন্য নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন। এবারও অনেক হোটেলে ডিজে পার্টির আয়োজন থাকছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। এছাড়া পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে হোটেলগুলোকে নতুন করে সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পরিবর্তন করা হয়েছে হোটেল-মোটেলের পুরনো জিনিসপত্রও।

হোটেল বীচ হলিডে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাফিজুর রহমান লাভলু বলেন, হোটেল মালিকরা বছরের অর্ধেক সময় ব্যবসা করে। বাকি অর্ধেক সময় লোকসানে থাকেন। গত কয়েকদিনে যে পরিমাণ পর্যটক কক্সবাজারে এসেছেন, তাদের থাকার ব্যবস্থা করাও কষ্ট হয়ে পড়ছে আমাদের জন্য। আমার জানা মতে কোন হোটেলের কক্ষ খালী নেই। এখনো প্রতিদিন পর্যটকরা বুকিং দেয়ার জন্য আমাদের কাছে ফোন করেন। কিন্তু সে মতে কোন রুম আমরা দিতে পারছি না।

হোটেল দ্য কক্স টুডে’র রুম ডিভিশন অফিসার আবু তালেব বলেন, বর্তমানে হোটেলের কোন কক্ষ খালী নেই।

সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকরা জানিয়েছেন, সৈকতে গোসল করা এবং বালিয়াড়িতে বসে থাকা ছাড়া বিনোদনের আর কোন ব্যবস্থা নেই পর্যটকদের জন্য। তাই বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে পর্যটন স্পটগুলোকে আরো সুন্দর করে সাজাতে হবে। এছাড়া সৈকত এলাকাকে হকার ও ভিক্ষকমুক্ত করতে হবে বলেও জানান তারা।

এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তায় পর্যটন স্পটগুলোতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নজরাদি বাড়ানো হয়েছে।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান বলেন,‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা। এছাড়া সাগরে ডুবে প্রাণহানীর ঘটনা এড়াতে লাইফ গার্ডদেরও নিয়েও কাজ করছি।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও বিচ ম্যানেজম্যান কমিটির সভাপতি মো. কামাল হোসেন বলেন, পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে আগাম সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও পর্যটক যাতে হয়রানির শিকার না হয় এবং ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, যদি কোন হোটেল অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে থাকে তবে, তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102