চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ঝুকিঁপূর্ন বাঁক

প্রকাশ: ২০২০-০১-০৬ ১৫:০১:৫৩ || আপডেট: ২০২০-০১-০৬ ১৫:০১:৫৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঈদগাঁও

চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের গুরুত্ব বেড়েই চলছে। ঝুঁকিপূর্ণ টেকবাঁক এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়ে পড়েছে। কোথাও ডানে মোড়,আঁকা বাঁকা রাস্তা কিংবা সতর্কীকরণ চিহ্ন না থাকায় দ্রুতগামী যানবাহনের দূর্ঘটনার আশংকা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

তথ্য মতে,মহাসড়কে ছোট বড় অসংখ্য টেকবাঁক রয়েছে। বহুদুর থেকে টেকবাঁক দেখা না যাওয়া তে টেকসমুহে যানবাহন দূর্ঘটনার আশংকায় রয়েছেন চালকরা। মহাসড়কে বাঁকের পাশাপাশি একা ধিক হাটবাজার থাকায় এটি উভয় মুখী গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে লিংরোড, খরুলিয়া,পানিরছড়া, ঈদগাঁও, ফকিরা বাজার,নাপিতখালী বটতলা,নতুন অফিস, খুটাখালী ডুলাহাজারা, মালুমঘাটসহ আরো অনেক। এসব ষ্টেশন বা বাজারে হরেক রকমের যানবাহন দাঁড় করানোর কারণে যানজটের কবলে পড়তে হয় দীর্ঘক্ষণ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে পর্যটকদেরকে অযথা সময় মহাসড়কের উপর অপেক্ষা করতে হচ্ছে নিদিষ্ট স্থানে পৌঁছতে।

দেখা যায়,টেকবাঁকে প্রতিবছর প্রাণহানির মত ঘটনা ঘটে। বর্তমানে মহাসড়কের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্বি পাচ্ছে। পর্যটন শহর কক্সবাজারে নানা স্থরের মানুষের যাতায়াত বেড়েছে দ্বিগুণ। ব্যস্ততম মহাসড়ক হিসাবে পরিচিতি পেলে টেকবাঁক কিংবা ষ্টেশন ভিত্তিক বাজার ও ঝুঁকিপূর্ণ অংশে কাজ করা হচ্ছেনা। যানবাহন চালকরা জানিয়েছেন, ইসলামপুরের নাপিতখালী মোড়ের বাঁকটি ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুতগতিতে যানবাহন চালিয়ে আসলে সহজে গতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়না।

দুয়েক পর্যটক জানান,চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কোথাও বাঁক-টেকে সতর্কীকরণ চিহৃ বসানো বা সাইন বোর্ড না থাকায় ছোট বড় দূর্ঘটনার শংকা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়রা জানান, মহাসড়ক কিংবা গ্রামীন সড়কে টেকের কারনে সাধারন মানুষরা রাস্তা পারাপারে দারুন ভাবে ব্যাঘাত ঘটছে।

এমনকি সড়কের পাশে গড়ে উঠা বাজার গুলোতে নিদিষ্ট পরিমান জায়গা খালি না রেখে ভ্রাম্যমান দোকানের পসরা বসানোতে যানবাহনও সর্বশ্রেনী পেশার লোকজনের ভোগান্তি যেন চরম আকার ধারন করে চলছে।

সাধারন পথচারীদের মতে,সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ যদি টেকবাঁকে সতর্কী করণ চিহৃ স্থাপন করে,তাহলে দূর্ঘটনা থেকে সাধারন লোকজন প্রানে রক্ষা পাবে অনায়াসে।

ট্যাগ :