বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

গোলাম আজমের দেহরক্ষীর ভাই আ’লীগের সভাপতি ! কক্সবাজারের মহেশখালীতে---------------------

প্রতিবেদক এর নামঃ
  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৩০৫ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার ১৯ নভেম্ব ১৯ ইং

তৃণমূলে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের দায়ত্বি না দেয়ার নির্দেশনা দেন দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু তৃণমূলে দলের প্রধানের কোন নির্দেশনা কাজে আসছে না। উল্টো জামায়াত বিএনপি এমনকি যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্যদের দলের প্রবেশ করানো হচ্ছে।

গেল রবিবার (১৭ নভেম্বর) কক্সবাজারের মহেশখালীতে জামায়াতের সাবেক আমির ও যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামী প্রয়াত গোলাম আজমের দেহরক্ষী এক সময়ের দুর্ধষ শিবিরে ক্যাডার আকতার হামিদের চাচাতো ভাই ফেরদৌস ওয়াহিদ শামীমকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এ নিয়ে তৃণমূলের ত্যাগি নেতাকর্মীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সকালে আওয়ামী লীগে নাম লিখিয়ে বিকালেই তিনি ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচিত এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, এক সময়ের দুর্র্ধষ শিবির ক্যাডার আকতার হামিদ ছিলেন জামায়াতের প্রয়াত আমীর অধ্যাপক গোলাম আযমের দেহরক্ষী। আকতার হামিদ ৩৫ টি মামলার পলাতক আসামি। ৩০ বছরের কারাদন্ড প্রাপ্ত হামিদের চাচাতো ভাই হচ্ছেন রবিার নির্বাচিত হওয়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ শামীম।
তারা আরো জানান, আলোচিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সংখ্যা ১৫১ জন। অথচ শামীমকে সভাপতি নির্বাচিত করতে এ সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয়েছে ২১৫ জন কাউন্সিলর। যেখানে শামীমসহ পরিবারের সদস্য ও আত্মীয় মিলে রবিবার সকালে ৬৪ জন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। পারিবারিক প্রভাব বজায় রাখতে তারা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা।

হোয়ানক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জাফর আলম জফুর নির্বাচিত সভাপতি শামীম জামায়াতের লোক স্বীকার করে বলেন, জামায়াত অধ্যুষিত ওয়ার্ডে আমাদের অবস্থান দৃঢ় করার জন্য তাকে দলে নেয়া হয়। তবে কথা ছিলো সে কোন প্রার্থী হবেন না। কিন্তু আকস্মিক প্রার্থী হওয়ায় আর কিছুই করার ছিলনা। তারা ছাড়া কাউন্সিলরগণ তাকে ভোট দিলে আমাদের করার কিছুই নেই।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, ওয়ার্ড কমিটিগুলো ভোটের মাধ্যমে হচ্ছে। কাউন্সিলররা কাকে নির্বাচিত করবে সেটি আমাদের হাতে নেই। তবে, দলে কৌশলী জামায়াত-শিবির, বিএনপি ও ইয়াবা কারবারি কেউ অনুপ্রবেশ করলে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে যেসব লোকজন দলে ঢুকে পড়েছে তাদের কমিটিও বাতিল করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিতর্কিত নব নির্বাচিত সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ শামীম তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সকল অভিযোগকে মিথ্যা দাবি বলেন, আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে রাজাকারের সন্তানকে সভাপতি এবং বিএনপির নেতাকে সাধারন সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102