শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২০, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

কক্সবাজারে শিশু বলৎকারের শিকার

প্রতিবেদক এর নামঃ
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০১৯
  • ৯২৬ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক:

কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী বউবাজার এলাকায় আট বছরের এক শিশু বলৎকারের শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) ভোর অনুমান সাড়ে চারটার দিকে পাহাড়তলী বউবাজারস্থ নতুন বাজারের পাহাড়ে বলৎকারের এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় লোকজন মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) ভর্তি করান।

কক্সবাজার জেলা সদও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা: আশিকুর রহমান ভর্তির বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

শিশুটির পরিবারের (সঙ্গত কারণে নাম প্রকাশ করা হয়নি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের শিশু দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার শহরের একটি ছাপাখায় কাজ করে। অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা নির্বাচনের কারণে তার কাজের চাপ বৃদ্ধি পায়। গতকাল (১৩ মার্চ ) কাজ শেষ করে মধ্যরাতে তার সহকর্মীসহ বাড়ি ফিরছিলো। কিন্তু পাহাড়তলী বউ বাজার এলাকায় পৌঁছলে স্থানীয় মৃত শফি আলম প্রকাশ টুলুর বখাটে ছেলে একাধিক মামলার পালাতক আসামী ইয়াছিন (৩০) ধারালো চুরি দেখিয়ে তাদের জিম্মি করে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। কৌশলে একজন পালিয়ে গেলেও হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুটিকে জোর করে বলৎকার করে। তার অত্যাচারে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে। পালিয়ে যাওয়া অপর সহকর্মীর চিৎকারে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা লোকজন এগিয়ে এসে মুমূর্ষ অবস্থায় বলৎকারের শিকার শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রথমে অপারেশন থিয়েটারে শারীরিক পরিক্ষা নিরিক্ষা করে ওসিসিতে ভর্তি করান। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন বখাটে ইয়াছিনকে আটক করার চেষ্টা করে। কিন্তু সে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

জেলা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার বলেন, সকালে হাসপাতালে আনার পর আমরা শিশুটির শারীরিক পরিক্ষা নিরিক্ষা করেছি। পরে ওসিসি (ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস) ভর্তি রাখা হয়েছে। সেখানে মেডিকেল ডিম গঠন করে অন্যন্য পরিক্ষা করা হবে।

ওসিসিতে কর্তব্যরত পুলিশের কনস্টেবল শ্যামল তনচঙ্গা জানান, শিশুটি ভয়ের কারণে মানুষিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। আমরা তাকে স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পরিক্ষা নিরিক্ষার পর আইনী প্রক্রিয়া শেষ করা হবে।

জানতে চাইলে কক্সবাজার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান বলেন, বিষয়টি অত্যান্ত দু:খজনক। ভোক্তভূগীরা এখনো অভিযোগ জমা দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102