সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজার পৌরসভায়ও ভুঁয়া পূজা মন্ডপ….! পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বেন্টু দাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কক্সবাজার পৌরসভায়ও ভুঁয়া পূজা মন্ডপ….! পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বেন্টু দাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আদালত প্রতিবেদক:
এবার ভূঁয়া প‍ূজা মন্ডপ দেখিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার পৌর পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বেন্টু দাশের বিরুদ্ধে। পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের দেয়া মাস্টাররোল এবং বিভাজনে চাউল আত্মসাতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এদিকে সভাপতির এ অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়ে পৌর পুজা উদযাপন পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সাধারণ সম্পাদক জনিধর। এ নিয়ে সনাতনি সম্প্রদায়ের মাঝে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, ২০১৮ সালে জেলা প্রশাসনে প্রদত্ত তালিকায় কক্সবাজার পৌরসভায় প্রতিমা পূজা ১১ টি,আর ঘট পূজা ৮ টি। ১৯ টি মন্ডপের জন্য ১৬ মেঃ টন চাউল পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বেন্টু দাশের নামে বরাদ্দ দেয় জেলা প্রশাসন।
বেন্টু দাশ গত ১১ অক্টোবর বরাদ্দকৃত চাউল বিভাজন করে সদর পিআইও অফিসে জমা দিয়ে নিজের নামে বরাদ্দ পত্র ছাড় করেন। বেন্টু দাশের বিভাজন তালিকার ১২ নং ক্রমিকে উল্লেখিত ঠিকানাবিহীন “হরিলাল বাবুর বাড়ি দূর্গোৎসব ” এ ৩০০ কেজি ও ১৮ নং ক্রমিকের” সার্বজনীন রীতা রানী দে’র বাড়ি দূর্গোৎসব ” এ ২০০ কেজি চাউল বিভাজন করেন। উক্ত বিভাজন মতে মন্ডপ ওয়ারী বরাদ্দ বিতরন করা হলেও ঘট পূজার তালিকায় এ দুটি মন্ডপই ভুয়া বলে জানিয়েছেন পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সদ্য পদত্যাগী সাধারন সম্পাদক জনি ধর। দূর্গা পূজার সময় মন্ডপ ওয়ারী বিভাজনকৃত বরাদ্দ বিতরন করে মন্ডপ কতৃপক্ষ থেকে বিতরন তালিকায় (মাষ্টাররোল)স্বাক্ষর নিলেও ঘট পূজার বিতরন তালিকাতে  ভুয়া মন্ডপ দুটির বরাদ্দ  বিতরনে  কারো স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি, এ বিতরন তালিকায় জনি ধরকে স্বাক্ষর করতে বললে তিনি স্বাক্ষর করেন নি।
তিনি গত ৪ এপ্রিল তার ফেসবুক আই ডি Joni Dhar এর টাইল লাইনে এসব ভুয়া মন্ডেপর তালিকা উল্লেখ করে বিতর্কিত কমিটির বিভিন্ন অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেন। রীতা রানী দে নামে পুজা মন্ডপের নাম সদর উপজেলার তালিকায়ও আছে। জনি ধর আরো উল্লেখ করেন আত্নসাতের সাথে জড়িত দুই জনই জেলা সভাপতি এডঃ রনজিত দাশের আত্নীয় একজন মামা, অপর জন খালাত ভাই। মামা ভাগিনার সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে পূজার বরাদ্দ আত্নসাত করে আসলেও তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করেনা।
যদীর্ঘদিন ধরে জেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে এসব বিষয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া চলে আসছে। কিন্তু অভিযুক্তরা এডঃ রনজিত দাশের আত্নীয় হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না জেলা পূজা কমিটি, উল্টো তাদেরকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে।সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন দুদকসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের দূর্গাপুজায় চারটি ভূঁয়া পুজা মন্ডপ দেখিয়ে সাড়ে পাঁচশত কেজি সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছিলো সদর উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দিপক দাশের বিরুদ্ধে।
W/B


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আলোকিত কক্সবাজারে ব্যবহৃত সকল সংবাদ এবং আলোকচিত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বে-আইনি। স্বত্বাধিকারী alokitocoxsbazar.com দ্বারা সংরক্ষিত।
Desing & Developed BY MONTAKIM